সততার সাথে - সততার পথে

লাদাখে ভারতীয় সীমান্তের কাছাকাছি উড়ছে চিনের J-20 ফাইটার জেট

গালওয়ানের উত্তেজনার পরও ভারতকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টার কসুর করছে না পিএলএ। চিনা বায়ুসেনার লাদাখের প্যাংগং লেকের দক্ষিণে শনি ও রবিবারের মধ্যবর্তি সময়ে স্থিতাবস্থা ভেঙে ফাইটার জেট মোতায়েন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে । গত কয়েক দিন ধরেই লাদাখে ভারতীয় সীমান্তের কাছাকাছি উড়ছে চিনে J-20 ফাইটার জেট।

পূর্ব লাদাখের সীমান্ত বিবাদ ঘিরে সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরের আলোচনায় ভারত ও চিন যে ঐক্যমতে পৌঁছেছিল, গত ২৯-৩০ অগাস্টের মধ্যবর্তী রাতে তা লঙ্ঘন করেছে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)। সেনার জনসংযোগ আধিকারিক কর্নেল অমন আনন্দ জানান, সীমান্তের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য চিন সেনা ‘প্ররোচনামূলক সামরিক গতিবিধি’ চালিয়েছে।

ওইসব ফাইটার জেট কয়েকদিন আগেই মোতায়েন করেছে চিনা বায়ুসেনা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর প্রায়ই উড়ছে ইসব জেট। সেনার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লাদাখে চিনা সেনার উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা প্রতিহত করেছে ভারত। চিনা বিদেশ মন্ত্রক থেকে বলা হয়েছে চিন এলএসি লঙ্ঘন করেনি।

সূত্রের খবর, জিনজিয়াংয়ের হোটন বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকেই উড়ে আসছে চিনের ওইসব J-20 ফাইটার জেট। ওই বিমানঘাঁটিতেই রাখা হয়েছে চিনে একাধিক বোমরু বিমান। এছাড়াও এলএসি থেকে মাত্রে দুশো কিলোমিচার দূরে তিব্বতের একটি বিমানঘাঁটিতে নতুন একটি রানওয়ে তৈরি করেছে চিন। 

এদিকে লাদাখ থেকে অরুনাচল প্রদেশ পর্যন্ত এলএসি বরাবর চিনে ৭টি বিমানঘাঁটির ওপরে নিরন্তর নজর রেখে চলেছে ভারত। ওইসব বিমানঘাঁটির বেশ কয়েকটিকে আরও উন্নত করেছে চিন। এর মধ্যে রয়েছে বাঙ্কার তৈরি, রানওয়ে বাড়ানো ও সেনা সংখ্যা বৃদ্ধি করা। সেনার তরফে এটাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে ভারতীয় সেনা বদ্ধপরিকর ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পরিস্থিতি সমাধানের জন্য চিনের সঙ্গে আলোচনায় বসছে ভারত। সমস্যা সমাধানের জন্য চুশুলে ব্রিগেড কমান্ডার পর্যায়ের ফ্ল্যাগ মিটিং চলছে বলেও সেনার তরফে জানানো হয়েছে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

Your email address will not be published.