সততার সাথে - সততার পথে

বিশ্বকে সতর্কবার্তা আবহাওয়াবিদের-পৃথিবী ধ্বংসের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে!

 

বদলে যাচ্ছে পৃথিবীর জলবায়ুর চরিত্র। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে তার আমরা প্রতিনিয়ত প্রতিফলন দেখে চলেছি। দ্রুত বেড়ে চলেছে সমুদ্রের উচ্চতা। আন্টার্কটিকায় বরফ গলতে থাকে জুন থেকে অগস্টের মধ্যে।

সায়েন্টিফিক রিপোর্টস’ নামের পত্রিকা দাবি পূর্ব অ্যান্টার্কটিকায় ৬৫ হাজারেরও বেশি ‘সুপার গ্লাসিয়াল’ হ্রদ ইতিমধেই মাথা গজিয়েছে।  

পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বেড়ে যাবার জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে চলেছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যদি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রতি ১ মিলিমিটার বৃদ্ধি পায় তবে তার জন্য দায়ি প্রায় ৩৬০ গিগাটন বরফের গলে যাওয়া। বর্তমানে আমাদের চেনা আন্টার্কটিকার ছবি খুব দ্রুত বদলে যাচ্ছে। হিমবাহের উপরে বরফ গলে হ্রদ তৈরি হয়ে চলেছে। ২০১৯ সালের জুন মাসে এক দিনের মধ্যে প্রায় ২ বিলিয়ান টন (যা প্রায় ১ লক্ষ ৮১ হাজার ৪৩৭ কোটি কিলোগ্রাম) পাহাড়-সমান ওজনের বরফের চাঁই গলে যাওয়া আমাদের চিন্তিত করতে বাধ্য করবে। বরফ গলার পরিমাণ  দিনপ্রতিদিন বেঁড়েই চলেছে।

পঞ্চাশ বছর বয়সী ব্রিটিশ আবহাওয়াবিদ ‘লুইস পু’ হিমবাহের হ্রদে সাঁতার কেটে পৃথিবীবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে, সতর্ক ও সচেতন হবার আহ্বান জানান। বরফের চাদর ক্রমশ পাতলা হয়ে আসছে আন্টার্কটিকায়। এর ফলে  নিকট ভবিষ্যতে সমুদ্র তীরবর্তী অনেক জায়গা তলিয়ে যাবে। বদলে যাবে পৃথিবীর মানচিত্র।

বিগত অনেক সময় থেকেই গ্রিনল্যান্ডেও ধারাবাহিক ভাবে বরফ গলে চলেছে। পৃথিবীর এই বিপর্যয়ে আমাদের আতঙ্কিত হবার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

Your email address will not be published.