সততার সাথে - সততার পথে

জেলার সংক্রমণ নিয়ে চিন্তিত রাজ্য প্রশাসন

রাজ্য রাজধানীতে সংক্রমণ যে কিছুটা হ্রাস পেলেও জেলায় সংক্রমণ নিয়ে চিন্তিত রাজ্য প্রশাসন। কলকাতার কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা ১৭ থেকে ৭-এ নেমে এসেছে। এছাড়া কয়েকটি জেলাতে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে সুস্থতার হার ৮০শতাংশ পেরিয়েছে। 

৩১ আগস্টের রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইট ‘এগিয়ে বাংলা’য় প্রকাশিত তথ্য বলছে, রাজ্যজুড়ে ব্রডবেসড কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা ২,৬৭৫ টি। এর মধ্যে সবচেয়ে কম কন্টেনমেন্ট জোন রয়েছে ঝাড়্গ্রামে, মাত্র একটি। পশ্চিম বর্ধমানে সংক্রমণ মাত্রা কমে আসায় সেখানে আর একটিও কন্টেইনমেন্ট জোন নেই।

কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা নদিয়া জেলায় করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়াতে বেড়ে দাড়িয়েছে ৪৫৭। এরপরেই সবচেয়ে বেশি কন্টেইনমেন্ট জোন আছে উত্তর দিনাজপুর জেলায়- ৪৫৪ টি। তারপর পশ্চিম মেদিনীপুরে কন্টেইনমেন্ট জোন আছে ৩৫১ টি। এছাড়া কোচবিহারে ২৫৭, পুরুলিয়ায় ২৬৬, বীরভূমে ১২৭ টি কন্টেইনমেন্ট জোন আছে।

যে জেলাগুলিতে কম সংখ্যক কন্টেইনমেন্ট জোন আছে সেগুলি হল-  মালদা ৪ টি, দার্জিলিঙ ৭ টি, দক্ষিন দিনাজপুর জেলায় ১১ টি, জলপাইগুড়ি ১৪ টি, হুগলি ১৮ টি, পূর্ব মেদিনীপুর ২৬ টি, বাঁকুড়া ৪৬ টি এবং মুর্শিদাবাদে ৬৫ টি।

পাশাপাশি সংক্রমিত ও মৃত্যুর নিরিখে সংক্রমণের শীর্ষে এখন উত্তর ২৪ পরগনা (৭৫ টি কন্টেইনমেন্ট জোন)। ওই জেলায় করোনা সংক্রমিত ৩২ হাজার পেরিয়ে গেছে। হাওড়ায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যাও প্রায় ১৩ হাজার (৮১ টি কন্টেইনমেন্ট জোন) । দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১০ হাজারের ওপর (৫৪ টি কন্টেইনমেন্ট জোন)। হুগলিতেও সংক্রমিতের সংখ্যা ৭ হাজার পেরিয়ে গেছে (১৮ টি কন্টেইনমেন্ট জোন)। 

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

Your email address will not be published.