সততার সাথে - সততার পথে

গাজোলে আরও ১২ জন করোনা আক্রান্ত

গাজোলে করোনা সংক্রামিতের সংখ্যা আরও বাড়ল। বৃহস্পতিবার গাজোলে নতুন করে ১২ জন সংক্রামিত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে পাঁচজন গ্রামীণ এলাকার এবং সাতজন গাজোল শহর ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। এর ফলে গত দু’দিনে গাজোলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২৬। তবে গাজোল ব্লক প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য দপ্তর আরও বেশি করে লালা পরীক্ষার উপর জোর দিচ্ছে। গতকাল ভার্চুয়াল সভার মধ্যে দিয়ে গাজোল ব্লকের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন বিডিও এবং ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক।

এদিন স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে পাশাপাশি গ্রামের চারজন সংক্রামিত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আগমপুরের দুজন, চন্ডিপুরে একজন এবং বিহারগ্রামে একজন রয়েছেন। এছাড়াও গ্রামীণ এলাকার মধ্যে ময়নাতেও একজন সংক্রামিতের খোঁজ পাওয়া গেছে। গাজোল শহর এলাকায় এদিন নতুন করে সাত সংক্রামিতের হদিস মিলেছে। নেতাজি পল্লী, করলা ভিটা, তুলসীডাঙা, সরকারপাড়া, কদুবাড়ি, আকোন্দা এবং লক্ষীতলার একজন করে সংক্রামিত হয়েছেন।

এদিন যে ১২ জন সংক্রামিতের খবর পাওয়া গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে থেকে তিনজনকে গাজোল কলেজের সেফ হাউসে নিয়ে আসার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। বাকিদের হোম কোয়ারান্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। তবে লালা সংগ্রহের উপর আরও বেশি জোর দিচ্ছে গাজোল ব্লক প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য দপ্তর। গতকাল ভার্চুয়াল সভার মধ্য দিয়ে গাজোল ব্লকের ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে লালা সংগ্রহের উপর জোর দিতে।এই বিষয় নিয়ে গ্রামে গ্রামে প্রচার চালানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে যাদের মধ্যে সামান্যতম উপসর্গ দেখা দেবে, তাঁরা যেন গাজোল বা হাতিমারি হাসপাতালে এসে লালা পরীক্ষা করান তার ওপর জোর দিতে বলা হয়েছে। রাজ্য সরকারের সাপ্তাহিক লকডাউন ছাড়াও বর্তমানে গাজোলে চলছে অনির্দিষ্টকালের আংশিক লকডাউন। আপাতত গাজোলে দুপুর দুটো পর্যন্ত দোকান বাজার খোলা থাকছে। গাজোল ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক বিধান রায় জানালেন, প্রশাসনিক কোনও নির্দেশ না আসা পর্যন্ত গাজোলে বেলা দুটো পর্যন্তই দোকানপাট খোলা থাকবে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

Your email address will not be published.