সততার সাথে - সততার পথে

জেলা কনজিউমার অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যুরোর মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পেলেন এক পরীক্ষার্থী

হাজার হাজার যুবক-যুবতীরা চাকরির জন্য প্রতিবছর আবেদন করে থাকেন এবং নিশ্চিন্তে বাড়িতে এই ভেবে বসে থাকেন যে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে সঠিক সময়ে কললেটার তাদের বাড়িতে এসে পৌঁছাবে।
কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় কিছু কিছু কললেটার সঠিক সময়ে বাড়িতে এসে পৌঁছায় না। এই ঘটনার সঠিক কারণ অনেকেই বলতে পারেন না। অথচ সিস্টেমের এই গাফিলতিতে অনেক যুবক যুবতীর জীবন সঠিক সময়ে পরীক্ষায় বসতে না পারার জন্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

এইরকমই এক ঘটনা ঘটলো দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি ব্লকের বাসিন্দা ‘জার্জিস জামান’-এর ক্ষেত্রে। জানা গেছে ওই যুবক বালুরঘাট মহিলা মহাবিদ্যালয়ে ডেমোনস্ট্রেটর পদের জন্য আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষা ছিল গত ২৭শে নভেম্বর ২০১৮তে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত প্রার্থীর কাছে ঠিক সময়ে কোন কল লেটার না আসাতে তিনি পরীক্ষায় বসতে পারেন নি।  দুদিন পর ২৯শে নভেম্বর ২০১৮তে ওই লেটার এসে পৌঁছলে ততক্ষণে সময় পেরিয়ে গিয়েছিল।

পোস্ট অফিসের এই গাফিলতিতে পরীক্ষায় না বসতে পারার জন্য সুবিচারের আশায় প্রার্থী জেলা কনজিউমার অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যুরোতে গত ১৮ জানুয়ারি ২০১৯এ কেস ফাইল করে। প্রতারিত যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া চলতে থাকে। রায় বের হয় ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯এ। প্রতারিত যুবক আইনি প্রক্রিয়াতে জিতে যান ও ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০,০০০ টাকা পোস্ট অফিসকে দিতে বলে আদালত।

আজ সে টাকার চেক এসে পৌঁছুলে জার্জিস জামান কৃতজ্ঞতা জানাতে যান জেলা কনজিউমার অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যুরোতে। 

অরূপ কুমার দত্ত, যিনি জেলা কনজিউমার অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যুরোতে সম্পাদকের পদে রয়েছেন, জানালেন যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ওই দপ্তর প্রতারিত মানুষজনকে বিনে পয়সাতে আইনি সাহায্য দিয়ে থাকে। অতীতেও বহু মানুষ ওই দপ্তর থেকে উপকৃত হয়েছেন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

Your email address will not be published.