সততার সাথে - সততার পথে

ভারতীয় নৌসেনার জন্য আসছে 24টি ‘এম এইচ 60 রোমিও সি হক’ মাল্টিরোল হেলিকপ্টার

অনেকদিন থেকেই মাল্টিরোল হেলিকাপ্টার খুঁজে চলছিল ভারত। আপাতত ভারতের ঘরে চল্লিশ বছরের পুরনো ব্রিটিশ ‘সি কিং’ চপার ছাড়া আর কিছুই নেই। ভারত মহাসাগরে চীনের মাল্টিরোল ‘জেড টোয়েন্টি’ হেলিকপ্টারের সাথে টক্কর দেওয়ার জন্য খুব তাড়াতাড়ি ভারতের এক নতুন ধরনের চপারের প্রয়োজন ছিল।

এই মাল্টিরোল হেলিকপ্টারের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, সমুদ্রের নিচে থাকা ডুবোজাহাজকেও খুব তাড়াতাড়ি সহজেই খুজে পেতে পারে। এবার ভারত চীনের সাথে প্রতিদ্বন্দিতায় নামতে আমেরিকার কাছ থেকে 24টি ‘এম এইচ 60 রোমিও সি হক’ মাল্টিরোল হেলিকপ্টার কিনতে চলেছে। আগামী 24 তারিখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের সময় এই চুক্তিতে সই হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভারত সফরের সময় হয়তো এই চুক্তিটিই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ভারতবর্ষের নৌসেনার জন্য ‘এমএইচ 60 রোমিও সি হক’ মাল্টিরোল হেলিকপ্টার তৈরির চুক্তি মার্কিন সংস্থা ‘লকহিড মার্টিন’ এর কাছে যাবে, এর জন্য ভারতবর্ষকে অতিরিক্ত 260 কোটি মার্কিন ডলার খরচ করতে হবে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটি এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়ে দিয়েছেন। এই মাল্টিরোল হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র নিজেদের ডুবোজাহাজকে শত্রুপক্ষের ডুবোজাহাজ থেকে আলাদা করতে পারে এবং সঠিক নিশানায় শত্রুপক্ষের ডুবোজাহাজকে নিমেষে নিশানায় নিয়ে আসতে পারে। ভারতের নৌবহরের কাছে যে হেলিকপ্টারগুলো রয়েছে তা প্রায় 40 বছরের পুরনো এবং তার আধুনিকীকরণ এখনো হয়নি।

‘সি-হ্যারিয়ার’ এর মতো বিমান গুলি, যেগুলোকে নজরদারি এবং যুদ্ধ করার জন্য ব্যবহার করা হতো সেগুলি অনেক আগেই অবসর নিয়ে নিয়েছে। এখন এগুলিকে কেবল মাত্র নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হয়। এমত অবস্থায় নতুন মাল্টিরোল হেলিকাপ্টার কেনা ছাড়া ভারতীয় নৌসেনার কাছে আর কোন গতি নেই। চীনের মোকাবেলার জন্য এই পদক্ষেপ ভারতীয়দের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

কিন্তু মাত্র এই 24 টি হেলিকপ্টারেই ভারতীয় নৌসেনার প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটবে না, সেইজন্য ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতি অনুসরণ করে অদূর ভবিষ্যতে দেশেই যৌথ উদ্যোগে এই হেলিকপ্টার গুলি তৈরি হবে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

Your email address will not be published.