সততার সাথে - সততার পথে

মাত্র ৫৩ বছর বয়সে চলে গেলেন ইরফান খান

বলিউডের অভিনেতা ইরফান খান চলে গেলেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি কোলন ক্যান্সারের ভুগছিলেন। সম্প্রতি প্রায় এক বছর ধরে ইংল্যান্ডেও চিকিৎসা করেছিলেন। আজ সকালে মুম্বাইয়ের ককিলাবেন হাসপাতালে দীর্ঘ রোগভোগের পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন এই জনপ্রিয় অভিনেতা। মৃত্যুকালে ওনার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।

শুধুমাত্র ভারতীয় চলচ্চিত্র ও সিরিয়ালেই নয়, তিনি ভারতীয় প্রতিনিধি হিসেবে হলিউডে ও ব্রিটিশ সিনেমাতেও দক্ষতার সাথে অভিনয়-এর ছাপ রেখেছিলেন। ইরফান ১৯৮৮ সালে ‘সালাম বোম্বে’র মত একাডেমি পুরস্কারের জন্য নামাঙ্কিত ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে সিনেমা জগতে পদার্পণ করেছিলেন।

ইরফান খানের শেষ জনপ্রিয় ছবিটি হলো ‘ইংরেজি মিডিয়াম’। ‘লাঞ্চ বক্স’, ‘ পান সিং টোমার’, ‘মকবুল’, ‘লাইফ অফ পাই’, ‘হাসিল’, ‘হায়দার’ প্রভৃতি সিনেমাগুলি দর্শকরা অনেকদিন মনে রাখবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রজেক্ট গুলোর মধ্যে ‘দি ওয়ারিয়র’, ‘দি নেমসেক’, ‘দি দার্জিলিং লিমিটেড’, ‘স্লামডগ মিলিয়নিয়ার’, ‘দি আমেজিং স্পাইডার ম্যান’, ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড’, ‘ইনফার্নো’ উল্লেখযোগ্য।

ইরফান খানের মৃত্যুর খবর ফিল্ম নির্মাতা সুজিত সরকার সবাইকে জানান। অভিনেতার মৃত্যুতে অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু করে অনুপাম খের সবাই শোক প্রকাশ করেন। পুরো সিনেমা জগৎ এই প্রতিভাবান অভিনেতার অসময়ে মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে।

১৯৬৭ সালের ৭ জানুয়ারি জয়পুরের এক মুসলিম পাঠান পরিবারে ইরফানের জন্ম হয়। ইরফান এর পুরো নাম ছিল সাহেবজাদে ইরফান আলী খান। বাবা ছিলেন এক টায়ার ব্যবসায়ী।
অতিসম্প্রতি ইরফানের মায়ের মৃত্যু হয়, কিন্তু মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াতে ইরফান দেশব্যাপী লকডাউনের জন্য শামিল হতে পারেননি।

এই বলিষ্ঠ অভিনেতা নিজের ফিল্মি ক্যারিয়ারে অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হয়েছিলেন কিন্তু নিজের বলিষ্ঠ অভিনয় ক্ষমতা এবং মানসিক শক্তির দৌলতে তিনি সবকিছু অতিক্রম করে উঠে এসেছিলেন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

Your email address will not be published.